বিভিন্ন সময় রাসূলুল্লাহ্ (সা.) সাহাবাগণকে উপদেশ স্বরূপ অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণী অসিয়ত করেছেন। আর সেই অসিয়তসমূহ থেকে ৫৫ টি মূল্যবান অসিয়ত বইটিতে অনুদিত হয়েছে।
পারিবারের সবাইকে নিয়ে প্রতিদিন একটি করে অসিয়ত পড়ে শোনানো এবং তা নিজ জীবনে আমল করার দৃঢ় সংকল্প করাই লেখকের উদ্দেশ্য।
আল্লাহ বইটি কবুল করেন এবং সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করেন।
হাজারটা কিতাব মু'তালা করেও অনেক সময় নিজকে সহিহ রাস্তায় পরিচালনা করা সম্ভব হয় না, বরং দিলের মধ্যে তাকাব্বুরী ও আত্মগর্বের দুর্গন্ধ জন্মায়।
অন্য দিকে কিতাব মু'তালা করার পাশাপাশি যদি সুন্নাত ও আকাবেরগণের নক্শে কদম অনুসরণ করা যায় তাহলে ইন শা-আল্লাহ্ নম্রতা তাওয়াযু ও এস্তেকামাত তথা দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকা যায়।
কতো হাফেজ.. চোখের সামনে পথভ্রষ্ট হতে দেখেছি! অনেকে জুমার নামাজটাও পড়ে না। (আল্লাহ মাফ করুন), কেন এমন হয়ে যায়?
আমার কাছে একটি কারণই বারবার চোখের সামনে ভেসে উঠছে, আর সেটি হলো 'সুহবতে সালেহীন' তথা নেকলোকদের সংস্পর্শ থেকে মাহরুম হওয়া। এই সোহবতে সালিহীনের দ্বারা স্কুল-কলেজের ছাত্রাকেও দেখাযায় জুব্বা গায়ে দাড়ি রেখে পাক্কা সুন্নতের অনুসারী। অন্যদিকে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রটি দাড়ীবিহীন পেন্টসার্ট পড়ে আছে কেন? কারন একটাই শুধু বইকিতাব হেদায়াতের জন্য যথেষ্ট নয়। তাহলে আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে নবী পাঠাতেন না। দুই একটা বই-কিতাব নাজিল করেই ইতি টানতেন।
যদিও মনে হয় এটা আর তেমন কী?
কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে, আল্লাওয়ালাদের রুচি তাদের ধ্যন-ধারণা,সেই চিন্তা-চেতনা,সেই মনোভাব শুধু কিতাব পড়ে অর্জন করা সম্ভব নয়। তাও যদি হয় "অনুবাদ"!!! (আফসোস!!!!!!!!! যারা শুধু অনুবাদ পড়ে মনে করে একট কিছু হয়ে গেছি)
একজনের মাইন্ড উচু করতে হলে তাকে অবশ্যই উচু মনোভাব সম্পন্য মানুষদের সথেই উঠা-বসা করতে হয়। মহৎ হতে চাইলে যারা মহৎ তাদের কাছে থাকতে হয়, তবেই নিজের মাঝে মহৎ গুণের সমাহার তৈরি হবে। দেখা যায়, যারা বেশ-কিছুদিন নিচু শ্রেণীর লোকদের (যাদের আখলাক ভালো নয় তাদের) সাথে উঠাবসা করে, ধীরেধীরে তাদের মনমানসিকতা নিচুই হয়ে যায়।
বিশেষ করে যারা মাদরাসা ছাত্র তারা যদি আকাবেরদের নকশে কদমের উপর চলার চেষ্টা না করে, তাহলে অধিকাংশের ক্ষেত্রে দেখা যাবে একদিন লাইন থেকে বিচ্যুত হয়ে পথহারা হয়ে গেছে।
তাই যথা সম্ভব কোন আল্লাহওয়ালদের এসলাহী মজলিস নিজের জন্য লাযেম করে নেওয়া। এর কোনো বিকল্প নাই। আল্লাহ তৌফিক দান করুক। আমিন।